- Shop
- ইসলামের উত্থান ও বাংলা সীমান্ত ১২০৪-১৭৬০
ইসলামের উত্থান ও বাংলা সীমান্ত ১২০৪-১৭৬০
https://uplbooks.com/shop/9789845065337-23402 https://uplbooks.com/web/image/product.template/23402/image_1920?unique=868c29e
Tags :
Book Info
মুসলমানরাই যে বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়, ১৮৭২ সালের প্রম আদমশুমারির আগে তা কেউই জানতেন না! মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতার ব্যাখ্যায় চারটি তত্ত্ব আজও প্রভাবশালী—শাসকদের বলপ্রয়োগ, সাম্যের আকর্ষণ, রাষ্ট্রীয় সুবিধার মোহ এবং অভিবাসীদের বংশবিস্তার। এই তত্ত্বগুলোর সীমাবদ্ধতা প্রদর্শন করেছেন অধ্যাপক ইটন। বড় আকারে জোরপূর্বক ধর্মান্তরের তেমন কোনো উল্লেখ উপমহাদেশের ইতিহাসে মেলে না। অন্যদিকে, বর্ণবৈষম্য প্রবল এমন সকল অঞ্চলে বরাবরই মুসলমানরা ছিলেন সংখ্যায় কম। উপরন্তু, মুসলমান শাসকরা বিরাটাকারে হিন্দুদের অভিজাত শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। ভারতবর্ষের মুসলমান শাসনের কেন্দ্রগুলো থেকে দূরবর্তী পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম পাঞ্জাবে মুসলমানদের সংখ্যা কেন বেশি? কেন পাণ্ডুয়া, ঢাকা ও মুর্শিদাবাদের মতো মুসলমান আমলের রাজধানী শহরগুলোর চাইতে প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে বেশি মুসলমানের দেখা মিলল? ইসলামকে প্রধানত নগরবাসীদের ধর্ম হিসেবে ধরে নেওয়া ধর্মান্তরের পুরোনো তত্ত্বগুলো এই সব বিষয়ের ব্যাখ্যায় অক্ষম। ধর্মান্তরকে পুরোপুরি নিরুৎসাহিত করা মুঘল আমলে কীভাবে বাঁশের খুঁটি আর খড়ের ছাউনিওয়ালা আড়ম্বরহীন মসজিদকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ মুসলমান কৃষক জনগোষ্ঠীটির আবির্ভাব ঘটল, তার উত্তর মিলবে অধ্যাপক রিচার্ড এম. ইটনের যুগান্তকারী ইসলামের উত্থান ও বাংলা সীমান্ত, ১২০৪-১৭৬০ গ্রন্থে।
রিচার্ড ম্যাক্সওয়েল ইটন
রিচার্ড ম্যাক্সওয়েল ইটন (জন্ম ১৯৪০) একজন মার্কিন ইতিহাসবিদ। বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অফ আরিজোনায় ইতিহাসের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। বাংলা অঞ্চলে ইসলামের বিস্তার বিষয়ক চিন্তায় যুগান্তর ঘটানো অধ্যাপক ইটনের The Rise of Islam and the Bengal Frontier, 1204-1760 গ্রন্থটির প্রকাশকাল ১৯৯৩। তার সর্বশেষ কাজ India in the Persianate Age: 1000-1765 প্রকাশিত হয়েছে ২০১৯ সালে। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস, ধর্মান্তর, সুফিদের ভূমিকা, সাম্প্রদায়িকতা, কৃষি সভ্যতা প্রভৃতি বিষয়ে অধ্যাপক ইটনের মৌলিক পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বহুক্ষেত্রে প্রচলিত চিন্তাধারায় বিশাল বদল ঘটিয়েছে।
ফিরোজ আহমেদ
ফিরোজ আহমেদ (জন্ম ১৯৭৫) পেশাগত জীবনে গবেষণা, লেখালেখি এবং সম্পাদনায় নিয়োজিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থী ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। সদস্য হিসেবে ২০২৪ সালে গঠিত সংবিধান সংস্কার কমিশনে ভূমিকা পালন করেন।